করযোগ্য আয় না থাকলে রিটার্ন বাধ্যতামূলক নয়

ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড আধুনিক জীবনের প্রায় অংশ হয়ে গেছে। ক্রেডিট কার্ড নিতে লাগে টিআইএন। যা ব্যবহার (ক্রেডিট কার্ড) করে দৈনন্দিন বাজারসদাই করেন। শুধু ক্রেডিট কার্ড নেয়ার জন্য আপনি এই টিআইএন নিলেন। আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ডধারীদের সবাইকে বছর শেষে রিটার্ন দাখিল করার কথা।

তবে এনবিআর বলছে, শুধু ক্রেডিট কার্ড নেয়ার জন্য ১২ সংখ্যার টিআইএন নেয়ার পরও যদি ওই করদাতার করযোগ্য আয় (বার্ষিক ৩ লাখ টাকা) না থাকে, তবে তাকে রিটার্ন দিতে হবে না।

গত ১ সেপ্টেম্বর এনবিআর প্রকাশিত চলতি বছরের আয়কর নির্দেশিকায় বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।

এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, যেহেতু ক্রেডিট কার্ড পুরোপুরি ব্যক্তিগত ঋণ নেয়ার ব্যবস্থা। সাধারণত দৈনন্দিন খরচের জন্য ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা হয়। আয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নেই বললেই চলে। তাই ক্রেডিট কার্ডধারীর যদি করযোগ্য আয় না থাকে, তাহলে রিটার্ন দেয়া বাধ্যতামূলক নয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত জুন মাস পর্যন্ত সব মিলিয়ে ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৬৯৭টি ক্রেডিট কার্ড ইস্যু হয়েছে। অবশ্য অনেকের একাধিক ক্রেডিট কার্ড আছে।

চলতি অর্থবছর থেকে তিন লাখ টাকার বেশি আয় হলেই কর দিতে হবে। আর টিআইএন থাকলে রিটার্ন দিতে হবে। আগের তিন বছরের কোনো এক বছরে করযোগ্য থাকলেও রিটার্ন দিতে হবে। তারপরও কিছু বিশেষ শ্রেণির করদাতার ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক, তা বলে দিয়েছে এনবিআর।

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দেয়ার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর। ওই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানার বিধান আছে। অবশ্য সময় বাড়িয়ে বিলম্ব সুদ দিয়ে রিটার্ন জমা দেয়া সম্ভব।